চাকসু নির্বাচনে অমোচনীয় কালি নয়, ব্যবহৃত হচ্ছে সাধারণ মার্কার

বঙ্গবার্তা প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রছবি সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অমোচনীয় কালি না পাওয়ায় ভোটারদের আঙুলে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মার্কার। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চাকসু ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের জন্য সাধারণত জার্মানি থেকে অমোচনীয় কালি আনা হয় এবং নির্বাচন শেষে তা ধ্বংস করে ফেলা হয়। ফলে এবার চাকসু নির্বাচনের জন্য সেই কালি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা এখন সাধারণ মার্কার ব্যবহার করছি। এতে ভোটের সুষ্ঠুতা কোনোভাবে ব্যাহত হবে না, কারণ একাধিক ধাপে ভোটারদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।”
এদিকে সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৯টা। তবে কিছু কেন্দ্রে ভোট শুরুতে ১০–১৫ মিনিট বিলম্ব হয়। মনির উদ্দিন জানান, “ভোটগ্রহণ মূলত সকাল ৯টাতেই শুরু হয়েছে, সামান্য দেরি কিছু কেন্দ্রে হয়েছে।”
প্রকৌশল অনুষদ কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। মোট ৪ হাজার ৩৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮৫৩ জন ভোট দিয়েছেন। দুপুরের পর থেকে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. জাফর উল্লাহ তালুকদার।
এ সময় তিনি বলেন, “বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আগ্রহও বাড়ছে।”
প্রকৌশল অনুষদ কেন্দ্রে সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলমান ভোটগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
তবে আইটি অনুষদের ভোট কেন্দ্রে ১২টি সইবিহীন ব্যালট পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, “এটি ভুলবশত হয়েছে। ব্যালটগুলো আলাদা করে সই করে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”



