এদেশে যা কিছু ভালো, সবকিছু দিয়েছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

বঙ্গবার্তা প্রতিবেদক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এদেশে যা কিছু ভালো, সবকিছু দিয়েছে বিএনপি। আর সেই বিএনপির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে, মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা সেই দল যারা উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা গড়ে উঠেছি।
আজ শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, একাত্তরে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দল এমনকি যাদের কাল জন্ম হয়েছে তারাও বিএনপিকে নিয়ে কথা বলে। কিন্তু এই দল ফিনিক্স পাখির মতো; তাকে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি। বরং ষড়যন্ত্রকারীরাই পালিয়ে গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে, মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা সেই দল যারা উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা গড়ে উঠেছি।
সম্মেলন প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকের সম্মেলন সাধারণ কোনো সম্মেলন নয়। ১৫ বছর পর বিএনপির অজস্র নেতাকর্মীর ত্যাগের পরে যে সুযোগ এসেছে, সেটি কাজে লাগানোর সম্মেলন।
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, যে নেতার নামে স্লোগান হবে, সেই নেতা মাইনাস হবেন।
দেশে যা কিছু ভালো, তার কৃতিত্ব বিএনপির: মির্জা ফখরুল
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের প্রতিটি ভালো উদ্যোগ ও সাফল্যের পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে। অথচ বিএনপিকে নিয়ে অব্যাহত ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা সেই দল নই যারা হঠাৎ এসে ক্ষমতায় বসেছি। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপি গড়ে উঠেছে। ষড়যন্ত্র হয়েছে দলটিকে ধ্বংস করার জন্য, কিন্তু বিএনপি ফিনিক্স পাখির মতো বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরাই ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছে।”
মির্জা ফখরুল আরও উল্লেখ করেন, একাত্তরে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দলসহ এমনকি সদ্য জন্ম নেওয়া দলও বিএনপিকে নিয়ে সমালোচনা করছে। কিন্তু দেশের মানুষ জানে, বিএনপির শিকড় গভীরে প্রোথিত।
সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকের আয়োজন সাধারণ কোনো সম্মেলন নয়। ১৫ বছরের দীর্ঘ সময় ধরে নেতাকর্মীদের অগণিত ত্যাগের পর যে সুযোগ এসেছে, সেটি কাজে লাগানোর জন্য এই সম্মেলন।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “যে নেতার নামে স্লোগান দেওয়া হবে, সেই নেতাকেই মাইনাস করা হবে।”
এভাবেই তিনি সংগঠনের ভেতর ঐক্য, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের ভারসাম্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।



