তারেক রহমানের ২৩ বার্তা: দেশে ফেরার ঘোষণা

আলমগীর হুসাইন: দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নির্যাতিত ও নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে অবস্থানকালে হারিয়েছেন আপন ভাইকে, মাকে পেয়েছেন অসুস্থ অবস্থায়, হারিয়েছেন পরিবারের স্মৃতিবিজড়িত ঘরবাড়ি। এমন কঠিন সময় পার করেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি, বরং আরও দৃঢ় হয়েছেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলার মুখোমুখি হয়ে দেশের আগামী নির্বাচন, দলের অবস্থান, জুলাই অভ্যুত্থান, প্রার্থী মনোনয়ন, খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে ফেরা, জামায়াত ও ডাকসু নির্বাচনসহ নানা ইস্যুতে ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তারেক রহমান।

‎নিচে  বক্তব্যগুলো মূল পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হল:

‎১. আমি দ্রুতই দেশে ফিরছি।

‎২. জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আমি নই, দেশের জনগণই এর নায়ক।

৩. ৬৩ জন শিশু ও দুই হাজারের মতো মানুষ জুলাই আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন এই আন্দোলনে জিতেছে গণতন্ত্রকামী মানুষ।

৪. নির্বাচন যত দ্রুত হবে, তত দ্রুত দেশে স্থিতিশীলতা আসবে।

‎৫. জামায়াতের জোটবদ্ধ নির্বাচন নিয়ে আমি চিন্তিত নই প্রতিযোগিতা থাকতেই পারে।

‎৬. বিগত সময়ে আমাদের সঙ্গে ৬৪টি রাজনৈতিক দল আন্দোলনে যুক্ত ছিল; সবাইকে নিয়েই নির্বাচনে যাব।

৭. আগামী নির্বাচনে নমিনেশন পাবেন তারা, যারা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত ও স্থানীয় সমস্যা বোঝেন।

৮. আমি নিজেও আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।

৯. প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সে সিদ্ধান্ত নেবে দল।

‎১০. দেশের আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়া সুস্থ অবস্থায় কারাগারে যান, বের হন অসুস্থ হয়ে  তাঁর স্বাস্থ্যের ওপরই নির্ভর করছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

‎১১. আমাকে শারীরিকভাবে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, আজও তা অনুভব করি।

‎১২. মিডিয়ায় মিথ্যা অপপ্রচারের শিকার হয়েছি।

‎১৩. রাজনীতি পরিবারকেন্দ্রিক আর হবে না  সমর্থন ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতেই হবে নেতৃত্ব নির্ধারণ।

‎১৪. প্রার্থী নির্বাচনে জনগণের চাওয়াকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

১৫. আগামীতে দুর্নীতি হবে না বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত করব।

১৬. সাত হাজার নেতাকর্মীর মধ্যে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

‎১৭. আমাদের বৈধ সম্পত্তি উদ্ধারের ঘটনাকেও ‘দখল’ বলে প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

১৮. ডাকসু নির্বাচন গণতান্ত্রিক যাত্রার শুভ সূচনা।

১৯. ডাকসু নির্বাচনের ফলে জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব পড়বে বলে মনে করি না।

‎২০. ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকার জবাব জামায়াতকেই দিতে হবে  বিএনপিকে নয়।

২১. আমি ১৭ বছর বিদেশে আছি  যখন গিয়েছিলাম, আমার ভাই ও সুস্থ মা ছিলেন, একটি ঘর ছিল। এখন ভাই নেই, মা অসুস্থ, ঘর নেই, যেখানে আমার ভাইয়ের সন্তানরা জন্মেছিল।

‎২২. প্রতিশোধ নয়, স্বৈরশাসনের সময় নির্যাতিত সকল ঘটনার ন্যায়বিচার হতে হবে।

২৩. আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত আদালত নেবে  তাদের বিচারও হতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button